অবশেষে পেপাল বাংলাদেশে- বিস্তারিত দেখুন


Online Earning Blogger By Zakir Hossain

( তথ্যটি সংগ্রহীত বাংলাদেশের একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে। জানানোর জন্যই শেয়ার করা হয়েছে । আপনি ও আপনার ফ্রীল্যান্সার বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন।)
আউটসোর্সিং খাতের জনপ্রিয় অনলাইন মার্চেন্ট পেইপ্যাল সেবা বাংলাদেশে চালু করতে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংককে অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এর ফলে খুব শিগগিরই বাংলাদেশে বহুপ্রতীক্ষিত এই সেবা শুরু হতে যাচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন।
পেইপ্যাল একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থের স্থানান্তর বা হাতবদল করতে সহায়তা দিয়ে থাকে। অনলাইনে অর্থ স্থানান্তরের এই পদ্ধতি চেক বা মানি অর্ডারের মত গতানুগতিক অর্থ লেনদেন পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মোফাজ্জল সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “পেইপ্যাল সেবা চালু সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতিপত্র আজ বিকালে আমাদের এমডির কাছে এসেছে।”
আগেই পেইপ্যালের সঙ্গে তাদের সেবা বাংলাদেশে চালু বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে একটি চুক্তি হয় বলে জানান তিনি।
মোফাজ্জল বলেন, “দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা সফল হয়েছি।গত বছর চুক্তির জন্য আমরা একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার প্রস্তাব পেইপ্যালের কাছে পাঠিয়েছিলাম। পেইপ্যাল এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার পর আমরা তোড়জোড় শুরু করি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমতি দেওয়ার পর সব প্রক্রিয়াই সম্পন্ন হল।”
“গত সপ্তাহে পেইপ্যালের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমডির একটি বৈঠক হয়েছে। এখন দ্রুতই এ সেবা আমরা চালু করতে পারবে বলে আশা করছি,” বলেন তিনি।
এর আগে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে পেইপ্যাল কার্যক্রম শুরুর চেষ্টায় আমরা অনেকদূর এগিয়েছি। আশা করি, ফ্রিল্যান্সারসহ দেশবাসীকে অল্প কিছুদিনের মধ্যে একটি সুখবর দিতে পারব।”
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে পেইপ্যালের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল প্রতিমন্ত্রী পলকের। সে সময় প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তাদের তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে কৌশলগত দিক নিয়ে কথা হয়েছে।
সে সময় বাংলাদেশে ব্যবসার সুযোগ, নীতিমালা, অবকাঠামো সুবিধা ও ফ্রিল্যান্সারদের কাজকর্ম নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী।
একটি পেইপ্যাল একাউন্ট খোলার জন্য কোনো ব্যাংক একাউন্টের ইলেকট্রনিক ডেবিট কার্ড অথবা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন পড়ে। পেইপ্যালের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রহীতা পেইপ্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে চেকের জন্য আবেদন করতে পারে, অথবা নিজের পেইপ্যাল একাউন্টের মাধ্যমে খরচ করতে পারে অথবা পেইপ্যাল একাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা করতে পারে।
২০১১ সালে থেকে বাংলাদেশ পেইপ্যাল এর সেবা শুরুর বিষয়ে আলোচনা চলছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কয়েকটি অনুষ্ঠানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনে পেইপ্যাল চালুর আশ্বাসও দিয়েছিলেন।
তথ্যসূত্রঃ bdnews

এখানে ক্লিক করুন

Comments

Popular posts from this blog

আবার এয়ারটেল সিমে ২এম্বিপিএস+ স্পিডে ফ্রি নেট ইওজ করুন দিন রাত ২৪ ঘন্টা|আনলিমিটেড|১০০% ওয়ার্কিং|

স্মার্টফোনের সাথে খেলতে খেলতেই শিশুরা শিখবে লেখাপড়া

(Hot post]জিপিতে Droid VPN দিয়ে ফ্রি নেট[স্পিড 250-350Kbps Speed]1000% Working And Speed Profe..